ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণ পদক পেয়েছেন ফরক্কাবাদের ইমাম হোসেন হাইমচর জাটকা রক্ষা সংক্রান্ত উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হৃদরোগে আক্রান্ত একি দৃশ্য দেখল চাঁদপুরবাসী চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১০ এসএসসি পরীক্ষার্থী কারাগারে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ৩০৪ পদের ৫৬টিই শূন্য হাজীগঞ্জে এ্যাম্বুলেন্সের মুখামুখি সংঘর্ষে অটো চালকের মৃত্যু,আহত চাঁদপুরে মুজিববর্ষে ১০ হাজার কিমি নদী ড্রেজিং হবে রাতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধে সহযোগিতা চায় চাঁদপুর কোস্টগার্ড নবম শ্রেণি থেকেই বিষয় ভিত্তিক বিভাজন না করার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ভারত প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের চিঠি গুজব নয় সত্য জানুনঃ ব্যাংক আমানতের বিপরীতে ১ লক্ষ টাকা দিচ্ছে কে? সমঝোতা করেও ফারজানাকে বাঁচাতে পারলো না পরিবার! আজ চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মাসিক সাহিত্য আসর চাঁদপুর জেলা জজকোর্টের নূতন পিপি অ্যাডঃ রনজিত কুমার রায় চৌধুরী নিখোঁজের ৪ দিন পর মেঘনায় মিললো দুলালের লাশ চাঁদপুর বই মেলা সমাপ্ত ফরিদগঞ্জে কেরোয়া মাদীনাতুল উল্লুম মাদ্রাসার মসজিদের কাজ উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন
  • বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬

  • || ০৩ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
১১৫

ওসামা বিন লাদেন কীভাবে জঙ্গি হলেন? জানালেন তার মা

দৈনিক চাঁদপুর

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০১৯  

বিশ্বের মোস্ট ওয়ান্টেট সন্ত্রাসী শুনলেই ওসামা বিন লাদেনের নামটি মনে পড়ে নিশ্চয়ই সবার! তিনি ছিলেন জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদার প্রধান। সন্ত্রাসী হলেও এই ওসামা বিন লাদেন সৌদি আরবের অন্যতম প্রভাবশালী ও বনেদি পরিবারের ছেলে।

সেই ওসামা বিন লাদেন মার্কিন নেভি সিলের সদস্যদের হাতে নিহত হওয়ার সাত বছর পর তা মা আলিয়া ঘানেম প্রথমবারের মতো সংবাদমাধ্যমে ছেলেকে নিয়ে কথা বলেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি লাদেন সম্পর্কে বেশ কিছু অজানা তথ্য জানিয়েছেন। এসময় পরিবারের অন্য সদস্যরা ছিলেন।

গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তারা জানিয়েছেন কীভাবে লাদেন জঙ্গি হয়ে ওঠেন। তাদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সিরিয়ায় কাটানো শৈশব থেকে শুরু করে আফগানিস্তানে সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে তার মুজাহিদ জীবন। আলিয়া ঘানেম ১৯৫০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরব আসেন। ১৯৫৭ সালে রিয়াদে জন্ম হয় ওসামার। তিন বছর পর ওসামার বাবার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার।

পরে সবে যাত্রা শুরু করা বিন লাদেন সাম্রাজ্যের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল-আত্তাসকে বিয়ে করেন আলিয়া। ওসামার বাবা ৫৪ সন্তানের জনক হন। তার অন্তত ১১ জন স্ত্রী ছিলেন। ওসামার সত্ভাইদের মাঝখানে বসে আলিয়া নিজের প্রথম সন্তান ওসামাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, লাজুক হলেও সে পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। ২০ বছরের দিকে সে শক্তিশালী, উদ্যমী ও ধার্মিক ব্যক্তিতে পরিণত হয়।

আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, সে আমার কাছ থেকে অনেক দূরে ছিল, তাই আমার জীবন ভীষণ কঠিন ছিল। সে খুব ভালো ছেলে ছিল এবং আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসত। আলিয়া বলেন, জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময়েই ওসামা উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকেরাই তাকে বদলে দেয়। সে অন্য রকম মানুষে পরিণত হয়।
 
ওসামার মা জানান, সে যাদের সঙ্গে মিশেছিল তাদের একজন ছিল মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য আবদুল্লাহ আজ্জাম। পরে এই ব্যক্তিকে সৌদি আরব থেকে নির্বাসিত করা হয়। কিন্তু ততদিনে সে ওসামার আধ্যাত্মিক পরামর্শকে পরিণত হয়েছে। ১৯৮০ দশকের শুরুতে ওসামা আফগানিস্তানে পাড়ি জমান রাশিয়ার দখলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। ওসামা জঙ্গি হয়ে উঠতে পারে এমন আশঙ্কা করেছিলেন কখনো এ প্রশ্নের জবাবে আলিয়া বলেন, আমার মাথায় এটা কখনো আসেনি।

যখন বুঝতে পারলেন ওসামা জঙ্গি হয়ে উঠেছিলেন তখন অনুভূতি কেমন ছিল জানতে চাইলে বলেন, আমরা খুব হতাশ হয়ে পড়ছিলাম। লাদেনের মা জানান, ১৯৯৯ সালে পরিবারের লোকজন ওসামার সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাৎ করেছিল। ওই বছর কান্দাহারের কাছে একটি ঘাঁটিতে পরিবারের সদস্যরা দুবার গিয়েছিলেন।

তবে ওসামার সত্ভাই বলেন, ওসামার জঙ্গি জীবনের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন না মা। ৯/১১ হামলার ১৭ বছর পার হলেও হামলায় ওসামা জড়িত, তা এখনো মেনে নিতে পারেননি মা। আহমেদ বলেন, মা তাকে (ওসামা) খুব ভালোবাসতেন এবং তাকে দায়ী করতে চান না। তিনি পরিস্থিতিকে দায়ী করতে চান। তিনি শুধু ছেলের ভালো দিক সম্পর্কে জানেন। আমরা সবদিক দেখেছি। কিন্তু তিনি তার জিহাদি দিক সম্পর্কে জানেন না কিছুই।

নিউইয়র্ক থেকে প্রথম যখন হামলার খবর শুনেছিলেন ওই সময়ের কথা জানিয়ে আহমেদ বলেন, আমি খুব আঘাত পাই, স্তব্ধ হয়ে যাই। খুব অদ্ভুত ধরনের অনুভূতি ছিল। আমরা শুরু থেকেই, প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই জানতাম (হামলায় ওসামা জড়িত)। ছোট থেকে বড় সবাই লজ্জিত ছিলাম। আমরা সবাই জানতাম আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব দেশ থেকে পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে চলে এলো।

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর
বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর