ব্রেকিং:
পানিশূন্য হচ্ছে চেন্নাই! বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ‘শত্রু’ কেন আলিম দার? কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক দুই জুলাইয়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংসের নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হুয়াওয়ে ফেসবুকে প্রতারণা, কঠোর অবস্থানে ডিএসই ভারতকে হারানোর ক্ষমতা আমাদের আছে: সাকিব ওয়াও সাকিব সাকিবের দিনে টাইগারদের জয় আঘাতে শক্তিশালী হয়েছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা জাতির জনকের আদর্শের কর্মী হিসেবে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবো না ২০২১ সাল থেকে সব স্কুলে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে একসঙ্গে তিন লটারি জিতে ‘রাতের ঘুম হারাম’ রাজমিস্ত্রি নূরের ঢাবির ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে হজ পালনের ব্যয় কম সততার পুরস্কার পেলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ১৫ কর্মকর্তা স্মার্টফোন ও ট্যাবের মেলা বসবে ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে অগ্রাধিকার পাবে রোহিঙ্গা ইস্যু

মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১২ ১৪২৬   ২১ শাওয়াল ১৪৪০

দৈনিক চাঁদপুর
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগই দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: শেখ হাসিনা ব্রাজিল-পেরুর ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সি-পতাকা নিয়ে এক সমর্থক আমার হাত দুটো কব্জি থেকে কেটে দেন : বৃক্ষমানব সজীব ওয়াজেদ জয় গুচ্ছগ্রামে আশ্রয় পেল ১৪০ পরিবার ‘সেই স্বাধীনতার সূর্য আওয়ামী লীগের হাতেই উদিত হয়েছিল’
২২৩৬

ডয়চে ভেলেকে সাক্ষাৎকার আর চাই না প্রধানমন্ত্রীত্ব: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি আর প্রধানমন্ত্রীত্ব চান না। ভাবিষ্যতে এ দায়িত্ব তুলে দিতে চান তরুণ প্রজন্মের হাতে। সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে ডয়চে ভেলে।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয় আওয়ামী লীগ। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। এখন তিনদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী জার্মানিতে আছেন।

ডয়চে ভেলের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় তার ভবিষ্যত রাজনৈতিক পরিকল্পনার বিষয়ে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  বলেন, এটা আমার তৃতীয় মেয়াদ। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী হয়েছি (১৯৯৬-২০০১)। সব মিলিয়ে চতুর্থবার। আমি আর চাই না। একটা সময়ে এসে সবারই বিরতি নেয়া উচিত বলে আমি মনে করি, যেন তরুণ প্রজন্মের জন্য জায়গা করে দেয়া যেতে পারে।

সাক্ষাৎকারে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়েও তার অবস্থান জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী তা অস্বীকার করে বলেন, যত কাজ করবেন, তত সমালোচনা শুনবেন। আপনি আমার দেশের মানুষকে প্রশ্ন করুন, তারা সন্তুষ্ট কিনা; তাদের যা যা প্রয়োজন, সব পাচ্ছে কিনা, কিংবা আমি সব দিতে পারছি  কিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি তা নিশ্চিতে পদক্ষেপও নিয়েছেন। বাংলাদেশ বহু বছর ধরে সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। তখন দেশ একটি মাত্র টেলিভিশন চ্যানেল চলত, যা ছিল রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তিনি বেসরকারি খাতে টেলিভিশন চ্যানেল চালুর অনুমতি দেন।

সম্ভাব্য শেষ মেয়াদে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইকেই অগ্রাধিকার দিতে চান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান– এসব মৌলিক চাহিদা। প্রত্যেক মানুষই তার অবস্থার উন্নতি ঘটাতে চায়। আমাদের সেটাই নিশ্চিত করতে হবে।

আওয়ামী লীগবিরোধীদের জন্য রাজনীতির মাঠ সংকুচিত করে রাখা এবং এক দলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমেই তো ক্ষমতায় আসা, সেটা একদলীয় হয় কী করে? আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে যে, ২০০৮-এ যে নির্বাচন হয়েছিল, সে নির্বাচনেও ৮৪ ভাগ ভোট পড়েছিল। এবার তো ৮০ ভাগ ভোট পড়েছে। তখন বিএনপি-জামাত জোট পেয়েছিল মাত্র ২৮টি সিট। এবার ইলেকশনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২৬০টি সিট (৩০০টির মধ্যে)। বাকি সব অন্য দলগুলো পেয়েছে। সেখানে দল তো আছেই।

বিরোধী দলকে দুর্বল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন কোনো দল যদি তাদের কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে না যেতে পারে, জনগণের বিশ্বাস, আস্থা অর্জন করতে না পারে, আর যদি ভোট না পায়, সে দায়-দায়িত্ব কার? সে তো ওই দলগুলোর দুর্বলতা।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়াকে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই এই দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে যেতে চায় বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে ভারত ও চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কিন্তু মিয়ানমারের সঙ্গে ঝগড়া করতে চাই না। আমাদের সঙ্গে একটা চুক্তিও হয়েছে, তারা ফেরত নিয়ে যাবে। চীন ও ভারতের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে যে পাঁচটি দেশের সীমান্ত আছে, চীন, বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও লাওস, আমরা সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি, কীভাবে এ সমস্যা সমাধানে তাদের কাজ করা উচিত।

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর
এই বিভাগের আরো খবর