ব্রেকিং:
১০ দিনেই পাল্টে গেছে স্বাস্থ্য সেবার মান শাহরাস্তিতে মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ডাকাতি করলে যাবে জেলে নকলে সহযোগিতা করায় ৪ জনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি হাজীগঞ্জে ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে আটক ১ হাইমচর সড়কে পরিবহন শ্রমিকদের অবরোধ চাঁদপুরে আজ নবান্ন উৎসব চাঁদপুর জেলার সর্বত্রই আগের দামে বিক্রি হচ্ছে লবণ চাঁদপুরে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজ এর দাম হাজীগঞ্জে বেশি দামে লবণ বিক্রির দায়ে জরিমানা সশস্ত্র বাহিনী দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের ১৩১তম জন্মবার্ষিকী পালিত সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ চাঁদপুরে পেঁয়াজের বাজারের অস্থিতিশীলতা রোধে বিশেষ অভিযান বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ সভা মতলবে অতিরিক্ত মূল্যে লবণ বিক্রির অভিযোগে ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা হাইমচরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে স্থান পরিদর্শন অতিরিক্ত মূল্যে লবন বিক্রি করায় ফরিদগঞ্জে ৩ ব্যবসায়ী আটক দারিদ্রের বেড়াজালে চাঁদপুরের সেন্টু গাজী সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

দৈনিক চাঁদপুর
সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
৩৯

থানায় জিডি করবেন কেন, কীভাবে?

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

জিডি বা সাধারণ ডায়রি একটি আইনগত বিষয়। তবে এটি একদম সাধারণ একটি বিষয়। এটি করতে বেশি বেগ বা ভোগান্তি পোহাতে হয় না। এর জন্য আপনাকে খুব বেশি জানতে হবে বা অনেক পড়ালেখা করতে হবে এমনটিও নয়। তবে কিছু বিষয় অবশ্যই জানা থাকতে হবে।
জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করতে জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড), পেশাগত বিষয়ে বর্ণনা জিডিকারীর বিভিন্ন তথ্য দিতে হয়। যে বিষয়ে জিডি করবেন তার বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে।

কেন জিডি করবেন?
কারও দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বা ভয় পেয়েছেন। বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছেন না। হারানো কোনো জিনিস উদ্ধার করতে চাচ্ছেন। এমন বিষয়ে জিডি করতে পারেন। এটি একটি আইনগত বিষয়। কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডিকার্ড), পেশাগত পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, চেকবই, লাইসেন্স, শিক্ষাসংক্রান্ত কোনো সার্টিফিকেট (সনদ) দলিল ইত্যাদি হারিয়ে গেলেও জিডি করা যায়। এছাড়া কেউ কারো সম্পদের ক্ষতি করতে চাইলে, হত্যার হুমকি দিলে জিডি করা যায়। সন্দেহভাজন কোনো ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় বা হারানো কিছুর জন্য জিডি করা হলে ওই ঘটনা ঘটার পর দোষী ব্যক্তিকে শনাক্তকরণে জিডির গুরুত্ব অনেক। বা হারানো জিনিস খুঁজে পেতে এবং আইনি সহায়তা নিতে জিডি করা জরুরি।

জিডি লিখবেন কীভাবে?
পুলিশের দেয়া নির্দিষ্ট ফরমে অথবা সাদা কাগজেও থানার ওসি বরাবর জিডি করা যায়। তবে অবশ্যই আপনাকে আশঙ্কার কারণ, যার জন্য আশঙ্কা করা হচ্ছে বা যে হুমকি দিয়েছে, তার নাম, ঠিকানা, হুমকির স্থান, তারিখসহ বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে জিডিতে। কিছু হারিয়ে গেলে তার বিস্তারিত বিবরণের সঙ্গে সেই জিনিসের একটি ফটোকপি যুক্ত করে দেবেন। এ বিষয়ে আপাতত কোনো মামলা করবেন না। তবে মনে রাখতে হবে পুলিশ যদি মনে করে যেকোনো গুরুতর অপরাধ ঘটেছে, তাহলে জিডি থেকেও মামলা হতে পারে।

জিডি করার স্থান হবে কোন থানায়?
জিডি করার ক্ষেত্রে সাধারণত ঘটনাস্থলকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। যে এলাকায় ঘটনা ঘটেছে বা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে, সে এলাকায় অবস্থিত থানাতেই জিডি করা উচিত। জিডি করতে যেকোনো পরামর্শের জন্য থানায় দায়িত্বপালনরত অফিসারের সহযোগিতা নেবেন। আপনি যদি লিখতে না পারেন, তবে তাকে লিখে দিতে অনুরোধ করবেন। বিনিময়ে কোনো টাকাপয়সা দিতে হবে না।

আবেদনের একটি কপিতে জিডি নম্বর, সময়, তারিখ এবং অফিসারের স্বাক্ষর ও সিল দেয়ার পর আপনাকে প্রদান করা হবে। জিডিটি নথিভুক্ত হবে। আপনার কপিটি আপনি নিজের জন্য সংরক্ষণ করবেন। জিডি হওয়ার পর তা কর্তব্যরত কর্মকর্তা থানার ওসির কাছে পাঠাবেন। আপনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি আমলযোগ্য হওয়ার মতো হলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে। কী ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ তা আপনাকে অবহিত করবে।

পুলিশ দেশের যেকোনো নাগরিকের জিডি গ্রহণ করতে বাধ্য। তবে অস্তিত্বহীন, গুরুত্বহীন, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য বিষয়ে জিডি গ্রহণ করতে পুলিশ গুরুত্ব কম দেয়। আবার একই বিষয়ে বা তুচ্ছ বিষয়ে বার বার জিডির বিষয়টিও পুলিশ ভালোভাবে নেবে না।

আইনে কোথায় জিডির কথা উল্লেখ আছে?
জিডি করতে ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা ও ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ও ১৫৫ ধারা অনুসরণ করতে হয়। থানায় রাখা নির্ধারিত ফরমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বর্ণনা দিয়ে জিডি করবেন। থানায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বর্ণনাটি জিডির ৬৫ নম্বর ফরমে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

অনেকে জিডি ও এজাহারের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখতে হবে জিডি ও এজাহারের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। জিডি হলো কোনো ঘটনা ঘটার আগেই ভয় বা আশঙ্কা থেকে জিডি করতে হবে। নিকটস্থ থানায় গিয়ে লিখিত আকারে জানাতে হয়। আর কোনো একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যে অভিযোগ দায়ের করেন সেটি এজাহার। তবে, অনেক দেখা যায় সময় গুরুত্ব দিয়ে কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে জিডিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়।

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর
এই বিভাগের আরো খবর