ব্রেকিং:
উৎপাদন বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করোনাকালে চূড়ান্ত এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ করোনা মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধুর স্বাস্থ্যসেবা দর্শন বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে করোনা পরীক্ষা হবে চার বেসরকারি হাসপাতালে ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রশংসা করলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ৫৪৯ নতুন করোনা রোগী শনাক্ত, আরো ৩ মৃত্যু হাসপাতাল থেকে পালানো করোনা রোগীকে বাগান থেকে উদ্ধার চাঁদপুরে ২০০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ চীনের ৪ বিশেষজ্ঞ ঢাকায় আসছেন ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে ১৪শ` কোটি টাকার জরুরি প্রকল্প নির্দেশনা না মানায় গণস্বাস্থ্যের কিট গ্রহণ করিনি বাংলাদেশে ১৯ মের মধ্যে করোনা বিদায় নেবে ৯৭ শতাংশ চাকরির বয়স শিথিলের বিষয় ভাবছে সরকার মানসম্মত কোন ধাপ অতিক্রম করেনি গণস্বাস্থ্যের কিট প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা পেলেন ১৫ চরমপন্থী
  • শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭

  • || ০৬ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
২১৩

পৃথিবীর সুন্দরতম নীল মসজিদ

দৈনিক চাঁদপুর

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০১৯  

সুলতান আহমেদ মসজিদ ইস্তানবুলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ যেটি ব্লু মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটির ভেতরের দেয়াল নীল রং এর টাইলস দিয়ে সুসজ্জিত বলে এই মসজিদটি ব্লু মস্ক বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটি ১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান আহমেদ বখতি নির্মাণ করেন।
মসজিদের মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজার। দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট, প্রস্থ ২১৩ ফুট, প্রধান গম্বুজের উচ্চতা ১৪১ ফুট। মিনারের উচ্চতা ২১০ ফুট।

এ ছাড়া দিনের বেলায় শত শত রঙিন কাচের জানালা আর রাতে মসজিদের প্রধান পাঁচটি গম্বুজসহ মোট ১৩টি গম্বুজ ও ছয়টি মিনার থেকে নীল আলোর বিচ্ছুরণে তৈরি হয় মোহময় পরিবেশ।
 
১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে প্রথম আহমেদের শাসনামলে মসজিদটির নির্মাণ হয়। ৪০০ বছর পরও তুরস্কের ব্লু  মসজিদ আজো পৃথিবীর সুন্দর মসজিদের স্থানে গৌরবের সঙ্গে দাড়িঁয়ে আছে। 

মসজিদটির ঐহিহাসিক গুরুত্ব, ধাপে ধাপে (কাসকেডিং) সাজানো গম্বুজ, ছয়টি মিনার, বিশাল সাহান, উচ্চ মূল্যবান সিলিং, অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান হওয়া, গাছাগাছালি ঘেরা এর চারপাশের বিশাল খোলামেলা পরিবেশ, পার্র্ক সাজানো সড়ক, বাড়িঘর, নীল জলাধাররের ফোয়ারা, মসজিদের অভ্যন্তরীণ হাতের কাজ সব মিলিয়ে ইংরেজিতে প্লেস অব ম্যাজিক অ্যান্ড ওয়ান্ডার হিসেবে পরিচিত এ মসজিদ। 

বাইজানটাইন শাসকদের প্রাসাদের পাশে হাজিয়া সোফিয়া মসজিদের সামনে অবস্থিত ব্লু  মসজিদ। এক সময় এলাকাটি বাইজানটাইন শাসকদের রাজপ্রাসাদ ছিল। 
 
দেয়াল, গম্বুজ, সিলিং, খুঁটির বাহারি কারুকাজ, মোহনীয় রঙের ব্যবহার, মসজিদের বিশালত্ব, পুরনো দিনের বিশালকায় দেয়াল, সাহানের মাঝে ঝর্ণা, রঙিন কাচের ২০০ জানালা, মসজিদের উপরিভাগে হাতে করা কারুকাজের ২০ হাজার সিরামিক টাইলস, কুরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি, স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য, প্রভৃতি যেমন এ মসজিদের সৌন্দর্যের উৎস তেমনি একে বিশেষত্ব দান করেছে এর বাইরের পরিবেশ। মারমারা সাগরের নীল জলরাশির পাশে এর অবস্থানও মসজিদটির ব্লু  বা নীল নামের সার্থকতা বহন করছে। 

দীর্ঘকাল ধরে তুরস্কের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এ মসজিদ। মুসলমান ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের হাজার হাজার লোকজন প্রতিদিন এ মসজিদ দেখতে আসেন। তুরস্কে সফরে গিয়ে এ মসজিদ না দেখে ফিরেছেন এমন লোক সম্ভবত খুব কম। 

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর