ব্রেকিং:
শনিবার শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে ১০ জনের বাংলাদেশ দল কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনতে নীতিমালা হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী আওয়ামী লীগ আগের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ রিফাত হত্যাকাণ্ডে মিন্নি জড়িত: তদন্ত কর্মকর্তা চালু হলো এনআইডি যাচাইয়ের গেটওয়ে ‘পরিচয়’ বাংলাদেশে খাদ্য-নিরাপত্তা বেড়েছে লন্ডন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইবোলা সংক্রমণ: ‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান পুরান ঢাকায় ভবন ধস: বাবা-ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে করণীয় কোচিং-নোটবই বন্ধ করতে ডিসিদের নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী গুজব থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে হবে সেনাবাহিনী-বিজিবির চেষ্টায় বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ‘সব আদালতে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে’ কাদেরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন, চিকিৎসকের সন্তোষ প্রকাশ কোরবানির ঈদ পর্যন্ত বিদেশি গরু প্রবেশ নিষিদ্ধ আজ এনআইডি যাচাইয়ে ‘পরিচয়’ উদ্বোধন করবেন জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রচার চালাবে বিটিভি যেভাবে পাবেন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল

বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ২ ১৪২৬   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

দৈনিক চাঁদপুর
সর্বশেষ:
পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে গ্রেফতার ১ জন অপপ্রচারই বিএনপির পুঁজি: ওবায়দুল কাদের ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা হবে ১৫ হাজার টাকা’ জেলা প্রশাসক সম্মেলন ১৪ জুলাই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা নতুন দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শপথ ১৩ জুলাই
১৪৪

মির্জা ফখরুল কোন দেশের হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন?

প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

একদাশ জাতীয় সংসদ উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভিডিও বার্তার জবাব দিয়েছেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাত। 
 

মির্জা ফখরুল তার ভিডিওতে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উপস্থাপন করে তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা ছুঁড়ে দিয়েছেন আরাফাত রহমান।

গণমাধ্যমে আরাফাত রহমানের প্রকাশিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোন দেশের হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন? সেই যুদ্ধে কারা তার সঙ্গী ছিল? ১৯৭১ এবং ২০১৮ সালে তার সেই যুদ্ধ কি একই যুদ্ধ, এবং সেই একই জামায়াত, যুদ্ধাপরাধী এবং রাজাকার কি তার উভয় যুদ্ধের সঙ্গী? 

১৯৭২-৭৫ আমলে আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করেছিল এবং জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল। মির্জা ফখরুলের দল যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করে দিয়ে রাজাকারদের পুনর্বাসন করেছিল বাংলাদেশে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন আবারও ২০০৯ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করলো, মির্জা ফখরুলের দল তখন সমস্ত শক্তি দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও মির্জা ফখরুলের দল রাজাকার জামায়াতকে তাদের ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে নির্বাচনে নিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে মির্জা ফখরুল কোন যুদ্ধের ডাক দিচ্ছেন? মির্জা ফখরুলের নেতা তারেক রহমানের দৃষ্টিতে জামায়াত-বিএনপি একই মায়ের পেটের দুই ভাই।
মির্জা ফখরুল কি ভেবেছেন নতুন প্রজন্ম কিছুই বোঝে না? তাদের যা কিছু বলে বোকা বানানো যায়? আসলে তিনি নিজেই বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

আমরাও মনে করি ২০১৮ এসেও ১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। শেষ হয়নি কারণ মির্জা ফখরুলের দলই এই যুদ্ধ শেষ হয়েও শেষ হতে দেননি। ১৯৭৫ এর পরে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বাংলাদেশে পুনর্বাসন করে তারাই এই যুদ্ধকে শেষ হতে দেননি। 
 

তবে যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম, সেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমরা পূর্ণাঙ্গ বিজয় লাভ করবো। এবং এ যুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকেই সমর্থন দেবে। 

নতুন প্রজন্ম ভোট দেবে, অবশ্যই ভোট দেবে এবং বুঝে শুনেই ভোট দেবে। ভোটের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি এবং তার পৃষ্ঠপোষকদের প্রত্যাখ্যান করবে। প্রত্যাখ্যান করবে মির্জা ফখরুলের মতো মিথ্যাবাদী, প্রতারক এবং ভণ্ড রাজনীতিবিদদের। তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে সত্যিকার গণতন্ত্র। জয় বাংলা।

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর