ব্রেকিং:
একাদশ সংসদের ৫ম অধিবেশন বসবে ৭ নভেম্বর অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে: স্পিকার রাজাকার ওয়াহিদুল হকের বিচার শুরু শপথের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির জরুরি সভা করদাতাদের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ অপরাজনীতিমুক্ত ফরিদগঞ্জ গড়তে ভূমিকা রাখবে যুবলীগ সেমি-ফাইনালে চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনায় ডিসি-এসপি ভাঙ্গনের কবলে আবারও চাঁদপুরে শহর রক্ষা বাঁধ আগামীকাল রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণোৎসব ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা তবুও এতো বরফ যায় কোথায়? তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ইলিশ ধরার চেষ্টাকারীকে প্রশাসনের কঠোর হুঁশিয়ারি আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু বানাতে চাচ্ছে বিএনপি: কাদের দুর্নীতির অভিযোগে কাঠগড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট কোটি টাকার কারেন্ট জালে আগুন জনগণের অধিকার সুরক্ষায় আইপিইউকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান বুয়েটে মাঠ পর্যায়ে আন্দোলন স্থগিত

বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

দৈনিক চাঁদপুর
সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
২৫

শচীন দেব বর্মনের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০১৯  


লোকজ ও রাগ সংগীতের সংমিশ্রণে সংগীত ভুবনে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন শচীন দেব বর্মন। বর্তমান রিমেকের বাজারে তিনি এখনো সমসাময়িক। তাঁর কালজয়ী গান ‘কে যাস রে ভাটির গাঙ বাইয়া’, ‘রঙ্গিলা রঙ্গিলা’, ‘আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল’, ‘ঘাটে লাগাইয়া ডিঙা’, ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নাই’- এমন বহু গানের রিমেক প্রায়ই শুনতে পাওয়া যায়। কিংবদন্তি এই সঙ্গীতশিল্পীর আজ ১১৩তম জন্ম বার্ষিকী।

শচীন দেব বর্মণের জন্ম ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কুমিল্লায়। তিনি ত্রিপুরার চন্দ্রবংশীয় রাজ পরিবারের সন্তান। ১৯২০ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে  থেকে ম্যাট্রিক পাস করে ভিক্টোরিয়া কলেজে ভর্তি হন। এরপর ১৯২২ সালে ঐ কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। পরবর্তীতে  ১৯২৫ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করেন।

বাব নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মণের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা নেন শচীন। এরপর তিনি ১৯৩২ সাল থেকে কলকাতা বেতার কেন্দ্রে গান গাওয়া শুরু করেন এবং অতি দ্রুত লোকজ এবং ধ্রুপদী সংগীতের জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতা সঙ্গীত সম্মেলনে স্বর্ণপদক জিতেন। এর পর তাঁকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
১৯৩২ সালে হিন্দুস্তান মিউজিক প্রোডাক্টস থেকে শচীন দেব বর্মণের প্রথম রেকর্ড বের হয়। তাঁর প্রথম দুটি গান ছিল ‘ডাকিলে কোকিল রোজ বিহানে’ এবং ‘এ পথে আজ এসো প্রিয়’।
১৯৩৪ সালে অল ইন্ডিয়ান মিউজিক কনফারেন্সে গান গেয়ে তিনি সবার দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হন। তাঁর সুরারোপিত গান ‘মেরা সুন্দর স্বপ্না বীত গ্যায়া’ তদানীন্তন বলিউডে বিশাল সাড়া জাগায়। নিশিথে যাইয়ো ফুলবনে, শোন গো দখিন হাওয়া,  কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া, তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল, ওরে সুজন নাইয়া, তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আসনি, আমারে ছাড়িয়া বন্ধু কই রইলা রে; ইত্যাদি শচীন কর্তার কিছু বিখ্যাত গান।
‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ ও ‘অভিমান’ চলচ্চিত্রের জন্য ফিল্ম ফেয়ার সেরা সঙ্গীত পরিচালক পুরস্কার; ‘আরাধনা’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ প্লে ব্যাক ও ‘জিন্দেগী জিন্দেগী’ ছায়াছবির জন্য শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার;  ‘পিয়াসা’ ছবির জন্যে এশিয়ান ফিল্ম সোসাইটি পুরস্কার; ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’সহ আরো বহু উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

শচীন দেব বর্মণ তাঁর সংগীত জীবনে অসংখ্য গানের সুর করেছেন, যার অধিকাংশ গানই লতা মঙ্গেশকর, মান্না দে, কিশোর কুমার, মোঃ রফি ও আশা ভোসলের মতো কিংবদন্তি শিল্পীদের গাওয়া। তিনি প্রায় অর্ধশতাধিক চলচ্চিত্রের সঙ্গিত পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। 
১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর মুম্বাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সংগীত ভুবনের এই কিংবদন্তি।

দৈনিক চাঁদপুর
দৈনিক চাঁদপুর
এই বিভাগের আরো খবর