সোমবার   ২২ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৬ ১৪২৬   ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪০

বিজিএমইএর সভাপতি হচ্ছেন আনিসুল হকের স্ত্রী

দৈনিক চাঁদপুর

প্রকাশিত : ১০:০৭ এএম, ৩ মার্চ ২০১৯ রোববার

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি হচ্ছেন রুবানা হক। নির্বাচনে মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হককে প্যানেল নেতৃত্বে রাখা হয়েছে। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সহধর্মিণী।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রুবানা হক বলেন, বিজিএমইএ নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের পক্ষ থেকে পূর্নাঙ্গ প্যালেন জমা দিয়েছি। নির্বাচন নিয়ে আমি আশাবাদী। আমরা পোশাক খাতের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আশা করছি, আমাদের প্যালেন জয়ী হবে।

পোশাক খাতের এ নারী উদ্যোক্তা বলেন, এখন কলকারখানায় নারী, ব্যবসা বাণিজ্যে নারী, সব জায়গায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী। তিনি পুরো দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাহলে আমরা কেন নেতৃত্ব দিতে পারবো না? লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে এ দায়িত্ব পালন করা কঠিক কিছু নয়।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ৩০ লাখ নারী শ্রমিক কাজ করেন। তাদের নিয়ে সবসময় আমি স্বপ্ন দেখি, কিছু করব। তাই তাদের জন্য কিছু করতে চাই। সুযোগ পেলে অবশ্যই করব। কারণ, এখন আর আমার পাওয়ার কিছু নেই। এখন দেয়ার সময়।

 

 

প্রয়াত মেয়ার আনিসুল হকের নেতৃত্বের প্রসঙ্গে রুবানা হক বলেন, ওনি আমার ৩০ বছরের সঙ্গী ছিলেন। ব্যবসা-বাণিজ্য সব ক্ষেত্রেই নেতৃত্ব শিখিয়েছেন। তিনিও বিজিএমইএ নেতৃত্ব দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। আশা করছি, নির্বাচিত হলে তার সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে পারব। একই সঙ্গে বর্তমান সভাপতির উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিতা রক্ষা করব।

এদিকে প্রায় পাঁচ বছর পর বিজিএমএমইএ’র পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন হবে আগামী ৬ এপ্রিল। দুই বছর মেয়াদি পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী, শনিবার ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। প্রত্যাহারের শেষ দিন রাখা হয়েছে আগামী ৬ মার্চ।

বিজিএমএমইএ’র নির্বাচন পরিচালনায় বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার শেষ দিন ৫৯জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে সম্মিলিত পরিষদের মোট ১৭ জন (ঢাকা ১২ জন এবং চট্টগ্রামের ৫ জন) ও ফোরামের ২৩ জন (ঢাকা ১৮ জন এবং চট্টগ্রামের ৫ জন)। অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের ১৮ জন পরিচালক পদপ্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এবারের বিজিএমইএ’র নেতৃত্ব নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৯৫৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার ১ হাজার ৫৯৭ জন। বাকি ৩৫৮ জন চট্টগ্রামের।